ঢাকা ১২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

মানবতাবিরোধী অপরাধ: রাজশাহীর ফিরোজ খাঁ’র রায় মঙ্গলবার

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় রাজশাহীর পুঠিয়ার মো. আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁ’র বিষয়ে রায় ঘোষিত হবে মঙ্গলবার।

সোমবার বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা ও জাহিদ ইমাম। আর আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ন।

গত ১৪ এপ্রিল এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরা শেষ হয়। এরপর গত ৪ জুলাই যুক্তিতর্ক শুরু হয়। ৮ জুলাই যুক্তিতর্ক শেষ হলে আদালত মামলাটির রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় পুঠিয়ার ভালুকগাছি ইউনিয়নের শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলামের (মৃত) নেতৃত্বে রাজাকার বাহিনীর হয়ে এই আসামি পুঠিয়া ও দুর্গাপুর এলাকায় অপরাধ সংঘটন করে।

আসামির বিরুদ্ধে চার সাঁওতালসহ ১৫ জনকে হত্যা, ২১ জনকে নির্যাতন ছাড়াও অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগের অভিযোগে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

আসামির উপস্থিতিতে শুনানি করে আদালত ২০ এপ্রিল অভিযোগ আমলে নেয়। পরে গত বছরের ৩০ জুলাই প্রসিকিউশন ও ১৪ আগস্ট আসামি পক্ষ অভিযোগ গঠনের উপর শুনানি করলে ৯ সেপ্টেম্বর আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেয়। এরপর ১০ অক্টোবর প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহনের মধ্যদিয়ে শুরু হয় এ মামলার বিচারকি কাজ।

তবে ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর মালাটির তদন্ত শুরুর সময় এ মামলায় আসামি করা হয়েছিল ৬ জনকে। কিন্তু তদন্ত চলার সময়ই বাকি পাঁচ আসামির মৃত্যু হলে একমাত্র আসমি হিসেবে মো. আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁই থাকেন।

পরবর্তীতে এ মামলার তদন্ত চলার সময় নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার হন আসামি ফিরোজ খা। পরে ২০১৭ সালে ২৪ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠান।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

মানবতাবিরোধী অপরাধ: রাজশাহীর ফিরোজ খাঁ’র রায় মঙ্গলবার

আপডেট টাইম : ০১:৪৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৯

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় রাজশাহীর পুঠিয়ার মো. আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁ’র বিষয়ে রায় ঘোষিত হবে মঙ্গলবার।

সোমবার বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা ও জাহিদ ইমাম। আর আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ন।

গত ১৪ এপ্রিল এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরা শেষ হয়। এরপর গত ৪ জুলাই যুক্তিতর্ক শুরু হয়। ৮ জুলাই যুক্তিতর্ক শেষ হলে আদালত মামলাটির রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় পুঠিয়ার ভালুকগাছি ইউনিয়নের শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলামের (মৃত) নেতৃত্বে রাজাকার বাহিনীর হয়ে এই আসামি পুঠিয়া ও দুর্গাপুর এলাকায় অপরাধ সংঘটন করে।

আসামির বিরুদ্ধে চার সাঁওতালসহ ১৫ জনকে হত্যা, ২১ জনকে নির্যাতন ছাড়াও অপহরণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগের অভিযোগে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

আসামির উপস্থিতিতে শুনানি করে আদালত ২০ এপ্রিল অভিযোগ আমলে নেয়। পরে গত বছরের ৩০ জুলাই প্রসিকিউশন ও ১৪ আগস্ট আসামি পক্ষ অভিযোগ গঠনের উপর শুনানি করলে ৯ সেপ্টেম্বর আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেয়। এরপর ১০ অক্টোবর প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহনের মধ্যদিয়ে শুরু হয় এ মামলার বিচারকি কাজ।

তবে ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর মালাটির তদন্ত শুরুর সময় এ মামলায় আসামি করা হয়েছিল ৬ জনকে। কিন্তু তদন্ত চলার সময়ই বাকি পাঁচ আসামির মৃত্যু হলে একমাত্র আসমি হিসেবে মো. আব্দুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁই থাকেন।

পরবর্তীতে এ মামলার তদন্ত চলার সময় নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার হন আসামি ফিরোজ খা। পরে ২০১৭ সালে ২৪ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠান।


প্রিন্ট