ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতকে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত পাকিস্তান জাতিসংঘের ভাষণে মামদানিকে আক্রমণ করতে পারেন নেতানিয়াহু ধামইরহাটে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা মেধাপাচারের প্রবণতাকে উল্টো দিকে ঘোরাতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ঝিনাইদহে সার মজুতের দায়ে ডিলারের জরিমানা বরগুনায় ভারতীয় শাড়ি ও পাঞ্জাবি জব্দ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যানের বৈঠক রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে উধাও ১৩ বছরের শাহীন, ৫ দিনেও মেলেনি সন্ধান ঢাকার চারপাশের নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : পানিসম্পদ মন্ত্রী

ঢাকার চারপাশের নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : পানিসম্পদ মন্ত্রী

পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদী রক্ষা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিতে হবে। রাজধানীর পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে নদী ব্যবস্থাপনা করতে হবে।

‎আজ রাজধানীর গুলশানের আলোকিতে টিম ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন আয়োজিত ‘হাই লেভেল ইভেন্ট অন বাংলাদেশ রিভার’স পলিউশন কন্ট্রোল, কনজারভেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অব দ্য রিভার’স সারাউন্ডিং ক্যাপিটাল ঢাকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‎

‎পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ্বরীসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে দূষণ ও দখলমুক্ত রাখা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। নদীতে শিল্পবর্জ্য, পয়ঃবর্জ্য ও কঠিন বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।‎

‎তিনি বলেন, নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণ কোনো একক মন্ত্রণালয় বা সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়। পানি সম্পদ, পরিবেশ, নৌপরিবহন, স্থানীয় সরকার, সিটি কর্পোরেশন, শিল্প, রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে নদীর তীরবর্তী জনগণ, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।‎

‎মন্ত্রী বলেন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে জলাবদ্ধতা, পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা এবং জনদুর্ভোগ বাড়ে। তাই নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও জলাধারগুলোও সংরক্ষণ করতে হবে। নদী ও খালের সংযোগ পুনঃস্থাপন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী খনন ও পুনঃখননের মাধ্যমে পানি প্রবাহ সচল রাখার উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী নদ-নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে।

‎অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিনিস্টার কাউন্সিলর অ্যান্ড হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন মাইকেল ক্রেজা, ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল প্রমুখ।

 


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতকে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত পাকিস্তান

ঢাকার চারপাশের নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : পানিসম্পদ মন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৩:০৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদী রক্ষা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিতে হবে। রাজধানীর পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে নদী ব্যবস্থাপনা করতে হবে।

‎আজ রাজধানীর গুলশানের আলোকিতে টিম ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন আয়োজিত ‘হাই লেভেল ইভেন্ট অন বাংলাদেশ রিভার’স পলিউশন কন্ট্রোল, কনজারভেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অব দ্য রিভার’স সারাউন্ডিং ক্যাপিটাল ঢাকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‎

‎পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ্বরীসহ ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে দূষণ ও দখলমুক্ত রাখা সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। নদীতে শিল্পবর্জ্য, পয়ঃবর্জ্য ও কঠিন বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।‎

‎তিনি বলেন, নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণ কোনো একক মন্ত্রণালয় বা সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়। পানি সম্পদ, পরিবেশ, নৌপরিবহন, স্থানীয় সরকার, সিটি কর্পোরেশন, শিল্প, রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে নদীর তীরবর্তী জনগণ, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।‎

‎মন্ত্রী বলেন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে জলাবদ্ধতা, পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা এবং জনদুর্ভোগ বাড়ে। তাই নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও জলাধারগুলোও সংরক্ষণ করতে হবে। নদী ও খালের সংযোগ পুনঃস্থাপন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী খনন ও পুনঃখননের মাধ্যমে পানি প্রবাহ সচল রাখার উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী নদ-নদী, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে।

‎অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিনিস্টার কাউন্সিলর অ্যান্ড হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন মাইকেল ক্রেজা, ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল প্রমুখ।

 


প্রিন্ট