ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে এসএমই ঋণ বিতরণ নীতিমালার শর্ত শিথিল

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ : ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে ঋণ বিতরণ বাড়ানোর শর্ত শিথিল করে নীতিমালা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিতরণ করা মোট ঋণের অন্তত ২৫ শতাংশে উন্নীত করার বাধ্যবাধকতা ২০২১ সালের পরিবর্তে ২০২৪ সাল পর্যন্ত উন্নীত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগ গত বৃহস্পতিবার কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোগের সংজ্ঞা ও ঋণ সীমা, এসএমই অর্থায়ন, নারী উদ্যোগ এবং পুনঃঅর্থায়নের ক্ষেত্রে এর আগে জারি করা সব সার্কুলার একত্র করে একটি মাস্টার সার্কুলার জারি করেছে।

জাতীয় শিল্প নীতি-২০১৬-এর আলোকে সংজ্ঞা ও ঋণ সীমা পুনর্নির্ধারণ করায় এসব ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ঋণ পোর্টফোলিওর বিভাজনও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। শুধু সময় বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নতুন সার্কুলারে বলা হয়, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণ স্থিতির মধ্যে এসএমই খাতে ঋণের পরিমাণ প্রতিবছর ১ শতাংশ হারে বাড়ানো অব্যাহত রাখতে হবে। এভাবে ২০২৪ সালের মধ্যে মোট ঋণের অন্তত ২৫ শতাংশ এসএমইতে উন্নীত করতে হবে। পাশাপাশি এ খাতে বিতরণ হওয়া ঋণের কমপক্ষে ৫০ শতাংশ কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের দিতে হবে।

এছাড়া একটি টেকসই এসএমই খাত গঠনের লক্ষ্যে ২০২৪ সালের মধ্যে এ খাতের উৎপাদনশীল অংশে ৪০ শতাংশ, সেবায় ২৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে হবে।

সার্কুলার অনুযায়ী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের শেষ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের পূর্ববর্তী বছরে নিট ঋণ ও অগ্রিম স্থিতির ভিত্তিতে সিএমএসএমই ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসএমই বিভাগকে অবহিত করবে।

এতে বলা হয়, সিএমএসএমই অর্থায়নে প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পৃথক ব্যবসায়িক কৌশল প্রণয়ন করতে হবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের চাহিদা ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতের প্রকৃতি অনুযায়ী ঋণ ও আমানতের উদ্ভাবনী মূলক পণ্য উন্নয়ন ও বিপনন করতে হবে। প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিএমএসএমই কার্যক্রম সুচারুভাবে সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সিএমএসএমই অর্থায়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করবে।

সার্কলারে আরও বলা হয়, সিএমএসএমইর কুটির উপখাতের উৎপাদনশীল শিল্প সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা ঋণ পাবে। মাইক্রো উপখাতের উৎপাদনশীল শিল্প সর্বোচ্চ ১ কোটি, সেবা শিল্প ৫০ লাখ ও ব্যবসা খাত ২০ কোটি টাকা ঋণ পাবে। ক্ষুদ্র উপখাতের উৎপাদশীল শিল্প সর্বোচ্চ ২০ কোটি এবং সেবা ও ব্যবসা খাত ৫ কোটি টাকা করে ঋণ পাবে। আর মাঝারি উপখাতের উৎপাদনশীল শিল্প ৭৫ কোটি ও সেবা শিল্প ৫০ কোটি টাকা ঋণ পাবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে এসএমই ঋণ বিতরণ নীতিমালার শর্ত শিথিল

আপডেট টাইম : ১০:৩৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ : ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতে ঋণ বিতরণ বাড়ানোর শর্ত শিথিল করে নীতিমালা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিতরণ করা মোট ঋণের অন্তত ২৫ শতাংশে উন্নীত করার বাধ্যবাধকতা ২০২১ সালের পরিবর্তে ২০২৪ সাল পর্যন্ত উন্নীত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগ গত বৃহস্পতিবার কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোগের সংজ্ঞা ও ঋণ সীমা, এসএমই অর্থায়ন, নারী উদ্যোগ এবং পুনঃঅর্থায়নের ক্ষেত্রে এর আগে জারি করা সব সার্কুলার একত্র করে একটি মাস্টার সার্কুলার জারি করেছে।

জাতীয় শিল্প নীতি-২০১৬-এর আলোকে সংজ্ঞা ও ঋণ সীমা পুনর্নির্ধারণ করায় এসব ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ঋণ পোর্টফোলিওর বিভাজনও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। শুধু সময় বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নতুন সার্কুলারে বলা হয়, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণ স্থিতির মধ্যে এসএমই খাতে ঋণের পরিমাণ প্রতিবছর ১ শতাংশ হারে বাড়ানো অব্যাহত রাখতে হবে। এভাবে ২০২৪ সালের মধ্যে মোট ঋণের অন্তত ২৫ শতাংশ এসএমইতে উন্নীত করতে হবে। পাশাপাশি এ খাতে বিতরণ হওয়া ঋণের কমপক্ষে ৫০ শতাংশ কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের দিতে হবে।

এছাড়া একটি টেকসই এসএমই খাত গঠনের লক্ষ্যে ২০২৪ সালের মধ্যে এ খাতের উৎপাদনশীল অংশে ৪০ শতাংশ, সেবায় ২৫ শতাংশ এবং ব্যবসায় সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে হবে।

সার্কুলার অনুযায়ী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের শেষ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের পূর্ববর্তী বছরে নিট ঋণ ও অগ্রিম স্থিতির ভিত্তিতে সিএমএসএমই ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসএমই বিভাগকে অবহিত করবে।

এতে বলা হয়, সিএমএসএমই অর্থায়নে প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পৃথক ব্যবসায়িক কৌশল প্রণয়ন করতে হবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের চাহিদা ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতের প্রকৃতি অনুযায়ী ঋণ ও আমানতের উদ্ভাবনী মূলক পণ্য উন্নয়ন ও বিপনন করতে হবে। প্রতিটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিএমএসএমই কার্যক্রম সুচারুভাবে সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সিএমএসএমই অর্থায়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করবে।

সার্কলারে আরও বলা হয়, সিএমএসএমইর কুটির উপখাতের উৎপাদনশীল শিল্প সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা ঋণ পাবে। মাইক্রো উপখাতের উৎপাদনশীল শিল্প সর্বোচ্চ ১ কোটি, সেবা শিল্প ৫০ লাখ ও ব্যবসা খাত ২০ কোটি টাকা ঋণ পাবে। ক্ষুদ্র উপখাতের উৎপাদশীল শিল্প সর্বোচ্চ ২০ কোটি এবং সেবা ও ব্যবসা খাত ৫ কোটি টাকা করে ঋণ পাবে। আর মাঝারি উপখাতের উৎপাদনশীল শিল্প ৭৫ কোটি ও সেবা শিল্প ৫০ কোটি টাকা ঋণ পাবে।


প্রিন্ট