ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শারদীয় দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করছে : রাশেদ খাঁন দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রুহুল কবির রিজভী জুলাই জাদুঘরের নথি চব্বিশের সংঘাতময় ঘটনাগুলোর সাক্ষ্য বহন করে : সুসান ভাইজ আশুগঞ্জ ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংশোধিত ট্যারিফ অনুমোদন আইনি বিপাকে হানি সিং তরুণরাই বাংলাদেশে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার মূল শক্তি : ববি হাজ্জাজ হানিফসহ ৪ আ.লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ তহবিলের সীমা ও মেয়াদ বাড়ানোর দাবি ডিবিএর আসন্ন দূর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত দেশকে অস্থির করতে নানাভাবে কাজ করছে পতিত দোসররা : রিজভী

উলিপুরে নাটির খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে দুর্নীতির অভিযোগ

রুহুল আমিন রুকু কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

উলিপুরে ধরনিবাড়ি ইউনিয়নের নাটির খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে নানা দুর্নীতি ও অপব্যবস্থাপনায় অভিযোগ। এ নিয়ে স্থানীয় অভিভাবকের মাঝে চরম খোবের সৃষ্টি হয়েছে।

সরে জমিনে গত রবিবার দুপুর ১২ টায় জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার ধরণী বাড়ি ইউনিয়নের নাটির খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বানীর ঘরোয়া পরিবেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করায় ছাত্রীদের সংখ্যা কমে গেছে।সময় মত শিক্ষকদের উপস্থিত থাকেন না শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান নেই, তার সহধর্মনী একই বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষীকা বিদ্যালয়ে দেখা গেছে বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে রাইস কুকারে ভাত পাশাপাশি তরকারির রান্না করা হচ্ছে। পার্শ্ববর্তী গ্রামের ৬ জন শিক্ষক উক্ত বিদ্যালয় শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় নানা গাফিলতি হচ্ছে।

বর্তমানে ছয়জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা মাত্র সাতজন শিক্ষার্থীদের শ্রেণী কক্ষে উপস্থিতি হাজিরা খাতা পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয় এর উপবৃত্তির সংখ্যা আড়াইশো থাকলেও শিক্ষার্থী উপস্থিত পাওয়া গেছে সাতজন। শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কম থাকার বিষয়ে প্রধান শিক্ষক জানান,শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে না আসলে আমাদের করা কিছু নেই। আমাদের বেতন সরকার দেবেন। শিক্ষার্থীদের হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে তিনি দেখাতে নারাজ। স্থানীয়,নুর ইসলাম ও বাবর আলী বাবু সহ কয়েকজন জানিয়েছেন,প্রধান শিক্ষকগোলাম রব্বানী স্কুলে যোগদানের পর বিদ্যালয় লেখাপড়া না থাকায় দিন দিন শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে গেছে।এবং উল্লেখ্য করেন কমিটি নিয়ে নানা দিদা দ্বন্দ্ব চলছে। স্থানীয়দের সাথে বা অবিভক্তের সাথে কোন মতবিনিময় করেন না। উক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা এত কম হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থী উপস্থিতি বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী পরিদর্শক এটিও আবুল কালাম আজাদ জানান, বিষয়টি আমি কোন অভিযোগ পাইনি শিক্ষার্থী এত কম থাকার বিষয়টি আমার জানা নেই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উলিপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস তোকদার জানিয়েছেন, উলিপুর উপজেলায় ১৩ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা বড় উপজেলা একার পক্ষে খোঁজখবর নেওয়া সম্ভব নয়।তাই তোর মাধ্যমে জানতে পারলাম। তাই তিনি তৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত এটিও আবুল কালাম আজাদকে বিদ্যালয় সরেজমিন পরিদর্শন করে যথাযথ রিপোর্ট প্রদান করিতে নির্দেশ প্রদান করেছেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করছে : রাশেদ খাঁন

উলিপুরে নাটির খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৫:৪৯:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

রুহুল আমিন রুকু কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

উলিপুরে ধরনিবাড়ি ইউনিয়নের নাটির খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে নানা দুর্নীতি ও অপব্যবস্থাপনায় অভিযোগ। এ নিয়ে স্থানীয় অভিভাবকের মাঝে চরম খোবের সৃষ্টি হয়েছে।

সরে জমিনে গত রবিবার দুপুর ১২ টায় জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার ধরণী বাড়ি ইউনিয়নের নাটির খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক গোলাম রব্বানীর ঘরোয়া পরিবেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করায় ছাত্রীদের সংখ্যা কমে গেছে।সময় মত শিক্ষকদের উপস্থিত থাকেন না শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান নেই, তার সহধর্মনী একই বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষীকা বিদ্যালয়ে দেখা গেছে বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে রাইস কুকারে ভাত পাশাপাশি তরকারির রান্না করা হচ্ছে। পার্শ্ববর্তী গ্রামের ৬ জন শিক্ষক উক্ত বিদ্যালয় শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় নানা গাফিলতি হচ্ছে।

বর্তমানে ছয়জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা মাত্র সাতজন শিক্ষার্থীদের শ্রেণী কক্ষে উপস্থিতি হাজিরা খাতা পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয় এর উপবৃত্তির সংখ্যা আড়াইশো থাকলেও শিক্ষার্থী উপস্থিত পাওয়া গেছে সাতজন। শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কম থাকার বিষয়ে প্রধান শিক্ষক জানান,শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে না আসলে আমাদের করা কিছু নেই। আমাদের বেতন সরকার দেবেন। শিক্ষার্থীদের হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে তিনি দেখাতে নারাজ। স্থানীয়,নুর ইসলাম ও বাবর আলী বাবু সহ কয়েকজন জানিয়েছেন,প্রধান শিক্ষকগোলাম রব্বানী স্কুলে যোগদানের পর বিদ্যালয় লেখাপড়া না থাকায় দিন দিন শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে গেছে।এবং উল্লেখ্য করেন কমিটি নিয়ে নানা দিদা দ্বন্দ্ব চলছে। স্থানীয়দের সাথে বা অবিভক্তের সাথে কোন মতবিনিময় করেন না। উক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা এত কম হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থী উপস্থিতি বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী পরিদর্শক এটিও আবুল কালাম আজাদ জানান, বিষয়টি আমি কোন অভিযোগ পাইনি শিক্ষার্থী এত কম থাকার বিষয়টি আমার জানা নেই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উলিপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস তোকদার জানিয়েছেন, উলিপুর উপজেলায় ১৩ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা বড় উপজেলা একার পক্ষে খোঁজখবর নেওয়া সম্ভব নয়।তাই তোর মাধ্যমে জানতে পারলাম। তাই তিনি তৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত এটিও আবুল কালাম আজাদকে বিদ্যালয় সরেজমিন পরিদর্শন করে যথাযথ রিপোর্ট প্রদান করিতে নির্দেশ প্রদান করেছেন।


প্রিন্ট