ঢাকা ০৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ক্রমেই বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আতঙ্কে, বাড়ছে অনিশ্চয়তা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে মোটরসাইকেল চালককে কুপিয়ে ছিনতাই, অভিযোগের পর পরই ছিনতাইকারী গ্রেফতার পিরোজপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দৈনিক বাংলাদেশ বাণীর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন মুক্তির আগেই আন্তর্জাতিক স্বত্ব বিক্রিতে রেকর্ড গড়ল শাহরুখের ‘কিং’ রোনালদোকে নিয়ে সংশয়, পর্তুগাল দলে নতুন বিপদ মৃত্যুঝুঁকি পেরিয়ে এবার ৩ দেশে দীর্ঘ সফরে পোপ দেশের যুবশক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির মানবতার কল্যাণে আশরাফ রাজিয়া ফাউন্ডেশন — মুর্শেদুল ইসলাম লাখপুর শিমুলিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে থেমে থেমে চলছে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ ১৫ কিলোমিটার জুড়ে আটকে আছে যানবাহন

প্রাক্তনের কাছে ফিরতে চান? সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে করুন ৫টি প্রশ্ন

সিটিজেন নিউজ ডেস্ক: বিচ্ছেদের পরও প্রাক্তনের প্রতি অনুভূতি থেকে যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। কখনো পুরনো স্মৃতি, কখনো একাকিত্ব, আবার কখনো একসঙ্গে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো মানুষকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় অতীতের সম্পর্কে। পরিচিত একজন মানুষের কাছে ফিরে যাওয়ার মধ্যে একধরনের স্বস্তিও কাজ করে। কারণ, তার কাছে নিজেকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিতে হয় না। সে জানে আপনার ভালো লাগা, মন্দ লাগা, অভ্যাস কিংবা দুর্বলতার কথা।

সব সময় তা হয় না। মানুষ অনেক সময় ভালোবাসার টানে নয়, বরং একাকিত্ব কাটাতে প্রাক্তনের কাছে ফিরতে চায়। কখনো নস্টালজিয়া বা অপরাধবোধ থেকে, আবার কখনো মনে হয়, ‘হয়তো এবার সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে।’ অথচ পুরোনো সম্পর্ক জোড়া লাগানোর আগে সবচেয়ে জরুরি প্রশ্নটি হলো—কেন সম্পর্কটি ভেঙেছিল?

এর পাশাপাশি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে আরও কিছু সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন করা প্রয়োজন:

১. সম্পর্কটি ঠিক কেন ভেঙেছিল?

প্রাক্তনের কাছে ফেরার কথা ভাবার আগে প্রথমেই ফিরে তাকাতে হবে বিচ্ছেদের মূল কারণটির দিকে। যদি সম্পর্কটি ভুল–বোঝাবুঝি, সাময়িক দূরত্ব, অপরিণত আচরণ কিংবা জীবনের ভুল সময়ে একে অপরকে পাওয়ার কারণে শেষ হয়ে থাকে, তবে পরিস্থিতি বদলালে সম্পর্কটিকে নতুন করে ভাবার সুযোগ থাকতেই পারে।

কিন্তু ভাঙনের কারণ যদি হয় অসম্মান, প্রতারণা, নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা, বারবার মিথ্যা বলা, মানসিক নির্যাতন কিংবা বিশ্বাসের ধারাবাহিক পতন, তবে কেবল ভালোবাসার পুরোনো স্মৃতি দিয়ে সেই সম্পর্ককে নিরাপদ করা সম্ভব নয়। সম্পর্ক ভাঙার মূল কারণটি আদৌ বদলেছে কি না, সেটাই এখানে সবচেয়ে বড় বিবেচ্য বিষয়।

২. আপনারা দুজনই কি সত্যি বদলেছেন?

সময় মানুষকে পরিবর্তিত করে। কেউ নিজের ভুল বুঝতে শেখে, কেউ যোগাযোগের ধরন বদলায়, কেউ বা নিজের ব্যক্তিসীমারেখা (boundaries) সম্পর্কে সচেতন হয়। আবার কেউ কেউ কেবল সময় পার করে, কিন্তু মানসিক দিক থেকে একই জায়গায় পড়ে থাকে। তাই ‘সে বদলে গেছে’—এমন ধারণার ওপর অন্ধ ভরসা না করে, বদলের বাস্তব প্রমাণ থাকা জরুরি। একই সঙ্গে নিজেকেও প্রশ্ন করুন, আপনি নিজেও কি আগের চেয়ে পরিপক্ব হয়েছেন?

৩. আপনি কি মানুষটিকে মিস করছেন, নাকি পুরোনো জীবনটিকে?

এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মনস্তাত্ত্বিক পার্থক্য। অনেক সময় আমরা মানুষটিকে আকুল হয়ে খুঁজি না, খুঁজি তার সঙ্গে কাটানো সোনালী সময়গুলোকে। সেই রাতজাগা দীর্ঘ কথোপকথন, হঠাৎ ফোনকল, একসঙ্গে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার স্মৃতি, জন্মদিনের বিশেষ আয়োজন কিংবা অসুস্থতায় পাশে থাকার ওম—এসব বারবার মনে পড়তে পারে। তখন মনে হয়, ‘আমি বুঝি তাকে ফিরে পেতে চাই।’

কিন্তু একটু থেমে নিজেকে প্রশ্ন করুন—আপনি কি মানুষটিকে চাচ্ছেন, নাকি তার সঙ্গে থাকা অবস্থায় নিজের ভেতরের অনুভূতিটাকে চাচ্ছেন? এই উত্তরটি আপনার দ্বিধা অনেকটাই পরিষ্কার করে দেবে।

৪. একাকিত্বের তাড়নায় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না তো?

রাত গভীর হলে পুরোনো মানুষের স্মৃতি ভিড় করা স্বাভাবিক। বিশেষ করে জীবনে যখন নতুন কেউ নেই, বন্ধুরা নিজেদের মতো ব্যস্ত, কিংবা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, তখন প্রাক্তনকে হঠাৎ খুব বেশি প্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। তবে মনে রাখবেন, একাকিত্ব আর ভালোবাসা কখনো এক জিনিস নয়। একাকিত্বের মুহূর্তে নেওয়া সিদ্ধান্ত সাময়িক স্বস্তি দিলেও পুরোনো জটিলতাগুলোকে ফিরিয়ে আনতে পারে। তাই তাড়াহুড়ো না করে কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস পরেও একই কারণে তাকে চাচ্ছেন কি না, তা ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন।

৫. দুজনেরই কি সমান আগ্রহ আছে?

সম্পর্ক কেবল একপক্ষ দিয়ে পুনর্গঠন করা সম্ভব নয়। আপনি হয়তো মরিয়া হয়ে সম্পর্কটি ফেরাতে চান, কিন্তু অন্যপক্ষ শুধু অতীতকে সম্মান করেন এবং সামনে এগিয়ে যেতে চান—এমন হলে সেই সিদ্ধান্তকেও পূর্ণ শ্রদ্ধা জানাতে হবে। আর যদি দুজনেই ফিরে আসতে চান, তবে শুধু ‘আমরা একে অপরকে ভালোবাসি’ বুলি যথেষ্ট নয়। বরং এবার খোলামেলা কথা বলতে হবে—কীভাবে অতীতের ভুলগুলো শুধরে সম্পর্কটিকে আগের চেয়ে সুন্দর করা সম্ভব।

প্রাক্তনের কাছে ফেরার আগের কিছু অতিরিক্ত ভাবনা

আর কোন ভুলের পুনরাবৃত্তি করা যাবে না?

আপনাদের পারস্পরিক সীমারেখা (boundaries) কেমন হবে?

ভবিষ্যতে মতবিরোধ দেখা দিলে কীভাবে তা সামাল দেবেন?

ব্যক্তিগত বা স্পেসের প্রয়োজনীয়তা কতটা থাকবে?

পুরোনো সম্পর্ককে দেখতে হবে নতুন দৃষ্টিতে

প্রাক্তনের কাছে ফিরে যাওয়ার সময় অনেকেরই একটি বড় ভুল ধারণা থাকে—‘যেহেতু আমরা আগেও একসঙ্গে ছিলাম, সব আগের মতোই স্বাভাবিক থাকবে।’ আদতে তা হয় না। যে সম্পর্ক একবার ভেঙে টুকরো হয়েছে, তাকে জোড়া লাগিয়ে নতুন করে শুরু করতে হলে পুরোনো সম্পর্কটিকে হুবহু ‘কপি’ না করে একটি নতুন সম্পর্ক হিসেবে গড়ে তুলতে হয়। পুরোনো অভিমান, ঝগড়া আর হিসাব বারবার টেনে এনে নতুন অধ্যায় শুরু করা যায় না। আবার অতীতকে পুরোপুরি মুছে বা অস্বীকার করেও সামনে এগোনো সম্ভব নয়।

অতীতে কী ঘটেছিল তা উপলব্ধি করা, নিজের ভুল স্বীকার করা এবং এবার ভিন্ন ও পরিপক্ব উপায়ে পথচলা—এটাই হলো পুরোনো সম্পর্ককে নতুন জীবন দেওয়ার আসল চাবিকাঠি।

সূত্র: সেলফ ম্যাগাজিন


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রমেই বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আতঙ্কে, বাড়ছে অনিশ্চয়তা

প্রাক্তনের কাছে ফিরতে চান? সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে করুন ৫টি প্রশ্ন

আপডেট টাইম : ০৯:১১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

সিটিজেন নিউজ ডেস্ক: বিচ্ছেদের পরও প্রাক্তনের প্রতি অনুভূতি থেকে যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। কখনো পুরনো স্মৃতি, কখনো একাকিত্ব, আবার কখনো একসঙ্গে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো মানুষকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় অতীতের সম্পর্কে। পরিচিত একজন মানুষের কাছে ফিরে যাওয়ার মধ্যে একধরনের স্বস্তিও কাজ করে। কারণ, তার কাছে নিজেকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিতে হয় না। সে জানে আপনার ভালো লাগা, মন্দ লাগা, অভ্যাস কিংবা দুর্বলতার কথা।

সব সময় তা হয় না। মানুষ অনেক সময় ভালোবাসার টানে নয়, বরং একাকিত্ব কাটাতে প্রাক্তনের কাছে ফিরতে চায়। কখনো নস্টালজিয়া বা অপরাধবোধ থেকে, আবার কখনো মনে হয়, ‘হয়তো এবার সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবে।’ অথচ পুরোনো সম্পর্ক জোড়া লাগানোর আগে সবচেয়ে জরুরি প্রশ্নটি হলো—কেন সম্পর্কটি ভেঙেছিল?

এর পাশাপাশি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে আরও কিছু সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন করা প্রয়োজন:

১. সম্পর্কটি ঠিক কেন ভেঙেছিল?

প্রাক্তনের কাছে ফেরার কথা ভাবার আগে প্রথমেই ফিরে তাকাতে হবে বিচ্ছেদের মূল কারণটির দিকে। যদি সম্পর্কটি ভুল–বোঝাবুঝি, সাময়িক দূরত্ব, অপরিণত আচরণ কিংবা জীবনের ভুল সময়ে একে অপরকে পাওয়ার কারণে শেষ হয়ে থাকে, তবে পরিস্থিতি বদলালে সম্পর্কটিকে নতুন করে ভাবার সুযোগ থাকতেই পারে।

কিন্তু ভাঙনের কারণ যদি হয় অসম্মান, প্রতারণা, নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা, বারবার মিথ্যা বলা, মানসিক নির্যাতন কিংবা বিশ্বাসের ধারাবাহিক পতন, তবে কেবল ভালোবাসার পুরোনো স্মৃতি দিয়ে সেই সম্পর্ককে নিরাপদ করা সম্ভব নয়। সম্পর্ক ভাঙার মূল কারণটি আদৌ বদলেছে কি না, সেটাই এখানে সবচেয়ে বড় বিবেচ্য বিষয়।

২. আপনারা দুজনই কি সত্যি বদলেছেন?

সময় মানুষকে পরিবর্তিত করে। কেউ নিজের ভুল বুঝতে শেখে, কেউ যোগাযোগের ধরন বদলায়, কেউ বা নিজের ব্যক্তিসীমারেখা (boundaries) সম্পর্কে সচেতন হয়। আবার কেউ কেউ কেবল সময় পার করে, কিন্তু মানসিক দিক থেকে একই জায়গায় পড়ে থাকে। তাই ‘সে বদলে গেছে’—এমন ধারণার ওপর অন্ধ ভরসা না করে, বদলের বাস্তব প্রমাণ থাকা জরুরি। একই সঙ্গে নিজেকেও প্রশ্ন করুন, আপনি নিজেও কি আগের চেয়ে পরিপক্ব হয়েছেন?

৩. আপনি কি মানুষটিকে মিস করছেন, নাকি পুরোনো জীবনটিকে?

এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মনস্তাত্ত্বিক পার্থক্য। অনেক সময় আমরা মানুষটিকে আকুল হয়ে খুঁজি না, খুঁজি তার সঙ্গে কাটানো সোনালী সময়গুলোকে। সেই রাতজাগা দীর্ঘ কথোপকথন, হঠাৎ ফোনকল, একসঙ্গে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার স্মৃতি, জন্মদিনের বিশেষ আয়োজন কিংবা অসুস্থতায় পাশে থাকার ওম—এসব বারবার মনে পড়তে পারে। তখন মনে হয়, ‘আমি বুঝি তাকে ফিরে পেতে চাই।’

কিন্তু একটু থেমে নিজেকে প্রশ্ন করুন—আপনি কি মানুষটিকে চাচ্ছেন, নাকি তার সঙ্গে থাকা অবস্থায় নিজের ভেতরের অনুভূতিটাকে চাচ্ছেন? এই উত্তরটি আপনার দ্বিধা অনেকটাই পরিষ্কার করে দেবে।

৪. একাকিত্বের তাড়নায় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না তো?

রাত গভীর হলে পুরোনো মানুষের স্মৃতি ভিড় করা স্বাভাবিক। বিশেষ করে জীবনে যখন নতুন কেউ নেই, বন্ধুরা নিজেদের মতো ব্যস্ত, কিংবা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, তখন প্রাক্তনকে হঠাৎ খুব বেশি প্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। তবে মনে রাখবেন, একাকিত্ব আর ভালোবাসা কখনো এক জিনিস নয়। একাকিত্বের মুহূর্তে নেওয়া সিদ্ধান্ত সাময়িক স্বস্তি দিলেও পুরোনো জটিলতাগুলোকে ফিরিয়ে আনতে পারে। তাই তাড়াহুড়ো না করে কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস পরেও একই কারণে তাকে চাচ্ছেন কি না, তা ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন।

৫. দুজনেরই কি সমান আগ্রহ আছে?

সম্পর্ক কেবল একপক্ষ দিয়ে পুনর্গঠন করা সম্ভব নয়। আপনি হয়তো মরিয়া হয়ে সম্পর্কটি ফেরাতে চান, কিন্তু অন্যপক্ষ শুধু অতীতকে সম্মান করেন এবং সামনে এগিয়ে যেতে চান—এমন হলে সেই সিদ্ধান্তকেও পূর্ণ শ্রদ্ধা জানাতে হবে। আর যদি দুজনেই ফিরে আসতে চান, তবে শুধু ‘আমরা একে অপরকে ভালোবাসি’ বুলি যথেষ্ট নয়। বরং এবার খোলামেলা কথা বলতে হবে—কীভাবে অতীতের ভুলগুলো শুধরে সম্পর্কটিকে আগের চেয়ে সুন্দর করা সম্ভব।

প্রাক্তনের কাছে ফেরার আগের কিছু অতিরিক্ত ভাবনা

আর কোন ভুলের পুনরাবৃত্তি করা যাবে না?

আপনাদের পারস্পরিক সীমারেখা (boundaries) কেমন হবে?

ভবিষ্যতে মতবিরোধ দেখা দিলে কীভাবে তা সামাল দেবেন?

ব্যক্তিগত বা স্পেসের প্রয়োজনীয়তা কতটা থাকবে?

পুরোনো সম্পর্ককে দেখতে হবে নতুন দৃষ্টিতে

প্রাক্তনের কাছে ফিরে যাওয়ার সময় অনেকেরই একটি বড় ভুল ধারণা থাকে—‘যেহেতু আমরা আগেও একসঙ্গে ছিলাম, সব আগের মতোই স্বাভাবিক থাকবে।’ আদতে তা হয় না। যে সম্পর্ক একবার ভেঙে টুকরো হয়েছে, তাকে জোড়া লাগিয়ে নতুন করে শুরু করতে হলে পুরোনো সম্পর্কটিকে হুবহু ‘কপি’ না করে একটি নতুন সম্পর্ক হিসেবে গড়ে তুলতে হয়। পুরোনো অভিমান, ঝগড়া আর হিসাব বারবার টেনে এনে নতুন অধ্যায় শুরু করা যায় না। আবার অতীতকে পুরোপুরি মুছে বা অস্বীকার করেও সামনে এগোনো সম্ভব নয়।

অতীতে কী ঘটেছিল তা উপলব্ধি করা, নিজের ভুল স্বীকার করা এবং এবার ভিন্ন ও পরিপক্ব উপায়ে পথচলা—এটাই হলো পুরোনো সম্পর্ককে নতুন জীবন দেওয়ার আসল চাবিকাঠি।

সূত্র: সেলফ ম্যাগাজিন


প্রিন্ট