ক্রীড়া ডেস্ক: নেশনস লিগের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পর্তুগালের স্কোয়াডে একসঙ্গে দুটি অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে সিদ্ধান্ত এখনো পরিষ্কার নয়, এর মধ্যেই তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় পড়েছেন ফ্রান্সিস্কো কনসেইসাও। ফলে গ্রুপ পর্বের শেষ দুই লড়াইয়ে তো বটেই, আগামী মার্চে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগেও এই উইঙ্গারকে পাচ্ছে না পর্তুগাল।
গত আন্তর্জাতিক বিরতিতে রোনালদো জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। সেই ঘটনা নিয়ে কম শোরগোল হয়নি। তার এই সিদ্ধান্তকে হঠকারী বলা হয়েছে। এর জন্য তিনি শাস্তিও পেয়েছেন।
এই মাসের আন্তর্জাতিক বিরতির আগেই তার নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে শেষ পর্যন্ত তিনি দলে ডাক পাবেন কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
এদিকে কনসেইসাওয়ের ঘটনাটা ঘটেছিল নেশনস লিগে দ্রাগাও স্টেডিয়ামে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে। সেই ম্যাচে পর্তুগাল জিতেছে ২-১ গোলে। সে রাতেই লাল কার্ড দেখেন জুভেন্টাসের উইঙ্গার কনসেইসাও।
রেফারির সিদ্ধান্তে অসন্তোষ দেখিয়ে তিনি অল্প সময়ের মধ্যে দুটি হলুদ কার্ড দেখেন। ৮৬ মিনিটে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। এরপর ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে চতুর্থ রেফারির সঙ্গে তিনি তর্কে জড়ান। তাকে থামাতে জাতীয় দলের টেকনিক্যাল স্টাফদের এগিয়ে আসতে হয়।
পর্তুগিজ সংবাদপত্র আ বোলা জানিয়েছে, রেফারির সঙ্গে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহারের কারণে কনসেইসাওকে এই শাস্তি দিয়েছে উয়েফার নিয়ন্ত্রণ, নীতি ও শৃঙ্খলা সংস্থা।
এই নিষেধাজ্ঞার কারণে ১৪ নভেম্বর ডেনমার্কের বিপক্ষে এবং ১৭ নভেম্বর ওয়েলসের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না কনসেইসাও। এ দুটি পর্তুগালের গ্রুপ পর্বের শেষ দুই ম্যাচ। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। আগামী মার্চে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগেও তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হবে। শাস্তি কমানো বা বাতিলের আশায় পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন চাইলে আপিল করতে পারে।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 















