ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শারদীয় দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করছে : রাশেদ খাঁন দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রুহুল কবির রিজভী জুলাই জাদুঘরের নথি চব্বিশের সংঘাতময় ঘটনাগুলোর সাক্ষ্য বহন করে : সুসান ভাইজ আশুগঞ্জ ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংশোধিত ট্যারিফ অনুমোদন আইনি বিপাকে হানি সিং তরুণরাই বাংলাদেশে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার মূল শক্তি : ববি হাজ্জাজ হানিফসহ ৪ আ.লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ তহবিলের সীমা ও মেয়াদ বাড়ানোর দাবি ডিবিএর আসন্ন দূর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত দেশকে অস্থির করতে নানাভাবে কাজ করছে পতিত দোসররা : রিজভী

ঈশ্বরগঞ্জে তরুণীকে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ,২ বৃদ্ধ গ্রেফতার

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে স্বামী পরিত্যক্তা এক তরুণীকে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। দুই নৈশ প্রহরীসহ তিনজন মিলে তরুণীটির ওপর রোববার মধ্যরাতে পাশবিক নির্যাতন চালান। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে সোমবার দুপুরে গ্রেফতার করেছে।

উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা ওই তরুণী (১৮)। বিয়ে হলেও স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে বাবার সংসারে বসবাস করছিলেন তিনি। মানসিক সমস্যা থাকায় ওই তরুণী প্রায়ই রাতের বেলা বাইরে চলে যেতেন ঘোরাঘুরির জন্য। পরে পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজে বাড়ি নিয়ে যেতো। রোববার রাতেও ওই তরুণী বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির কাছেই বটতলা বাজারের চলে যান। মেয়েটিকে একা পেয়ে নজর পড়ে বাজারের নৈশ প্রহরী আবদুল মান্নান (৫৬), নূরুল ইসলাম (৪৫) ও আবদুল বারেক (৫৮) নামের আরেক ব্যক্তির। তারা সবাই ভাসা গোকূল নগর গ্রামের বাসিন্দা। মান্নান ও নূরুল ইসলাম নৈশ প্রহরী হিসেবে কাজ করলেও বারেক বাজারে ঘুরতে গিয়েছিলেন।

গভীর রাতে মেয়েটিকে একা পেয়ে বাজারের পাশের ইটভাটার দক্ষিণ দিকের একটি স্থানে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন আবদুল মান্নান, নূরুল ইসলাম ও আবদুল বারেক। এসময় মেয়েকে খুঁজতে থাকা বাবা টর্চের আলো ফেললে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পরে সোমবার সকাল ১১টার দিকে থানায় মেয়েকে নিয়ে হাজির হয় বাবা। নির্যাতনের বর্ণনা শুনে ঈশ্বরগঞ্জ থানার পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযানে যায়। আটক করা হয় বাজারের নৈশ প্রহরী আবদুল মান্নান ও ভাসা গ্রামের আবদুল বারেককে। অন্য নৈশ প্রহরী নূরুল ইসলাম পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সজীব ঘোষ বলেন, স্বামী পরিত্যক্ত মেয়েটি মানসিকভাবে সমস্যাগ্রস্ত। রাতের বেলায় মেয়েটি বাইরে হাঁটতে বেরিয়ে পড়ে। রোববার রাতে অন্য দিনের মতো বেরিয়ে পড়লে তার ওপর নির্যাতন চালায় নৈশপ্রহরীরা।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, বাজারের নৈশপ্রহরীরা মিলে ইটভাটার পাশের একটি স্থানে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যজনকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করছে : রাশেদ খাঁন

ঈশ্বরগঞ্জে তরুণীকে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ,২ বৃদ্ধ গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ১০:৫০:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২০

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে স্বামী পরিত্যক্তা এক তরুণীকে দল বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। দুই নৈশ প্রহরীসহ তিনজন মিলে তরুণীটির ওপর রোববার মধ্যরাতে পাশবিক নির্যাতন চালান। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে সোমবার দুপুরে গ্রেফতার করেছে।

উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা ওই তরুণী (১৮)। বিয়ে হলেও স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে বাবার সংসারে বসবাস করছিলেন তিনি। মানসিক সমস্যা থাকায় ওই তরুণী প্রায়ই রাতের বেলা বাইরে চলে যেতেন ঘোরাঘুরির জন্য। পরে পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজে বাড়ি নিয়ে যেতো। রোববার রাতেও ওই তরুণী বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির কাছেই বটতলা বাজারের চলে যান। মেয়েটিকে একা পেয়ে নজর পড়ে বাজারের নৈশ প্রহরী আবদুল মান্নান (৫৬), নূরুল ইসলাম (৪৫) ও আবদুল বারেক (৫৮) নামের আরেক ব্যক্তির। তারা সবাই ভাসা গোকূল নগর গ্রামের বাসিন্দা। মান্নান ও নূরুল ইসলাম নৈশ প্রহরী হিসেবে কাজ করলেও বারেক বাজারে ঘুরতে গিয়েছিলেন।

গভীর রাতে মেয়েটিকে একা পেয়ে বাজারের পাশের ইটভাটার দক্ষিণ দিকের একটি স্থানে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন আবদুল মান্নান, নূরুল ইসলাম ও আবদুল বারেক। এসময় মেয়েকে খুঁজতে থাকা বাবা টর্চের আলো ফেললে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পরে সোমবার সকাল ১১টার দিকে থানায় মেয়েকে নিয়ে হাজির হয় বাবা। নির্যাতনের বর্ণনা শুনে ঈশ্বরগঞ্জ থানার পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযানে যায়। আটক করা হয় বাজারের নৈশ প্রহরী আবদুল মান্নান ও ভাসা গ্রামের আবদুল বারেককে। অন্য নৈশ প্রহরী নূরুল ইসলাম পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই সজীব ঘোষ বলেন, স্বামী পরিত্যক্ত মেয়েটি মানসিকভাবে সমস্যাগ্রস্ত। রাতের বেলায় মেয়েটি বাইরে হাঁটতে বেরিয়ে পড়ে। রোববার রাতে অন্য দিনের মতো বেরিয়ে পড়লে তার ওপর নির্যাতন চালায় নৈশপ্রহরীরা।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, বাজারের নৈশপ্রহরীরা মিলে ইটভাটার পাশের একটি স্থানে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যজনকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।


প্রিন্ট