ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল করা যাবে না। এমপি, ফজলুল হক মিলন জোনাকী শিল্পীগোষ্টি সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন নবনিযুক্ত গাইবান্ধা ডিসিকে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা। সুনামগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সুনামগঞ্জ জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের নেতৃবৃন্দরা রিংকি হত্যা: ন্যায়বিচারের দাবিতে উলিপুরে মানববন্ধন বঙ্গভবনে নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে একসঙ্গে কাজ করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর আহ্বান সাত বছর পর নাটকে ফিরলেন শার্লিন ফারজানা `২৪-এর আন্দোলন ফাইনাল যুদ্ধ নয়, এটা ছিল যুদ্ধের রিহার্সেল’ অস্ট্রেলিয়া সফরের অভিজ্ঞতা সামনে কাজে লাগাতে চান শান্ত

শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসে ডিজিএম প্রকৌশলী শান্তনু রায়ের কাছে সরাসরি সেবা পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ

‎মোঃসুলতান মাহমুদ
স্টাফ রিপোর্টার।

‎ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর অধীনস্থ শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপনায় গতি ফেরাতে এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম-অপারেশন) প্রকৌশলী শান্তনু রায়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এই দপ্তরে যোগদানের পর থেকেই তিনি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং সেবার মান বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

‎বর্তমানে এই কার্যালয়ের সেবার মান নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। দাপ্তরিক জটিলতা কমিয়ে সাধারণ মানুষ এখন খুব সহজেই ডিজিএম-এর সঙ্গে সরাসরি দেখা ও কথা বলতে পারছেন। যেকোনো অভিযোগ বা সমস্যার কথা সাধারণ গ্রাহকরা তাকে সরাসরি জানাতে পারছেন এবং দ্রুত সমাধান পাচ্ছেন।

‎সেবা নিতে আসা স্থানীয় গ্রাহকরা জানান, বর্তমানে অফিসের পরিবেশ অনেক বেশি জনবান্ধব। তারা কোনো মধ্যস্থতাকারী বা হয়রানি ছাড়াই সরাসরি শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় সমাধান পাচ্ছেন, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা ফিরিয়ে এনেছে।

‎নিজের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে প্রকৌশলী শান্তনু রায় বলেন, “আমার মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকসেবাকে সহজতর করা এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমিয়ে আনা। পল্লী বিদ্যুৎ জনগণের প্রতিষ্ঠান, তাই এখানে সেবা নিতে এসে কোনো গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটি আমি নিশ্চিত করতে চাই। আমার দপ্তরের দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় খোলা। যেকোনো সমস্যায় গ্রাহকরা সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।”

‎প্রকৌশলী শান্তনু রায় তার পেশাগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অত্র অঞ্চলের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সচেষ্ট রয়েছেন। গ্রাহকদের প্রত্যাশা, তার দক্ষ নেতৃত্বে মাওনা জোনাল অফিসের সেবার মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে এবং শিল্প ও আবাসিক এলাকার বিদ্যুৎ বিভ্রাটজনিত সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান হবে।

‎তিনি তার দায়িত্ব পালনে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি দপ্তরে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল করা যাবে না। এমপি, ফজলুল হক মিলন

শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসে ডিজিএম প্রকৌশলী শান্তনু রায়ের কাছে সরাসরি সেবা পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ

আপডেট টাইম : ১০:৩৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

‎মোঃসুলতান মাহমুদ
স্টাফ রিপোর্টার।

‎ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর অধীনস্থ শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপনায় গতি ফেরাতে এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম-অপারেশন) প্রকৌশলী শান্তনু রায়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এই দপ্তরে যোগদানের পর থেকেই তিনি বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং সেবার মান বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

‎বর্তমানে এই কার্যালয়ের সেবার মান নিয়ে স্থানীয় গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে। দাপ্তরিক জটিলতা কমিয়ে সাধারণ মানুষ এখন খুব সহজেই ডিজিএম-এর সঙ্গে সরাসরি দেখা ও কথা বলতে পারছেন। যেকোনো অভিযোগ বা সমস্যার কথা সাধারণ গ্রাহকরা তাকে সরাসরি জানাতে পারছেন এবং দ্রুত সমাধান পাচ্ছেন।

‎সেবা নিতে আসা স্থানীয় গ্রাহকরা জানান, বর্তমানে অফিসের পরিবেশ অনেক বেশি জনবান্ধব। তারা কোনো মধ্যস্থতাকারী বা হয়রানি ছাড়াই সরাসরি শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় সমাধান পাচ্ছেন, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা ফিরিয়ে এনেছে।

‎নিজের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে প্রকৌশলী শান্তনু রায় বলেন, “আমার মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহকসেবাকে সহজতর করা এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমিয়ে আনা। পল্লী বিদ্যুৎ জনগণের প্রতিষ্ঠান, তাই এখানে সেবা নিতে এসে কোনো গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটি আমি নিশ্চিত করতে চাই। আমার দপ্তরের দরজা সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় খোলা। যেকোনো সমস্যায় গ্রাহকরা সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।”

‎প্রকৌশলী শান্তনু রায় তার পেশাগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অত্র অঞ্চলের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সচেষ্ট রয়েছেন। গ্রাহকদের প্রত্যাশা, তার দক্ষ নেতৃত্বে মাওনা জোনাল অফিসের সেবার মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে এবং শিল্প ও আবাসিক এলাকার বিদ্যুৎ বিভ্রাটজনিত সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান হবে।

‎তিনি তার দায়িত্ব পালনে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি দপ্তরে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন।


প্রিন্ট