ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ সংসদের অধিবেশন শুরু ইরা হত্যা মামলার রায় হচ্ছে না আজ, নতুন তারিখ ঘোষণা দুঃসময়ে বিবেকের পাশে ছিলেন অক্ষয়, যা বললেন অভিনেতা সাভারে হামলার প্রতিবাদে খুলনায় এনসিপির বিক্ষোভ স্যামসাংয়ের মুনাফা বৃদ্ধিতে আস্থা ফেরেনি, এশিয়ার শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রবণতায় দ. কোরিয়ার বাজারে পতন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরও আনচেলত্তির ওপরেই ভরসা ব্রাজিলের ইউক্রেন ও প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ নিয়ে শুরু ন্যাটো সম্মেলন রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

ইউজিসিকে উচ্চশিক্ষা কমিশন (এইচইসি) করতে হলে নির্বাহী ক্ষমতা দেয়া প্রয়োজন

অনলাইন ডেস্ক, সিটিজেন নিউজ: নিজস্ব প্রয়োগিক ক্ষমতার অভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। ইউজিসিকে পুনর্গঠন করে উচ্চশিক্ষা কমিশন (এইচইসি) করতে হলে নির্বাহী ক্ষমতা দেয়া প্রয়োজন বলে দাবি করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ।

বুধবার ইউজিসির সঙ্গে এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) এর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সৌজন্য সাক্ষাতে এমন মত ব্যক্ত করেন তিনি। ইউজিসির চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আখতার হোসেন, প্রফেসর ড. এম শাহ্ নওয়াজ আলি, প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, ড. মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন, কমিশনের সচিব ড. মো. খালেদ এবং ইরাবের সভাপতি মুসতাক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হকসহ কমিটির অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের উচ্চশিক্ষা উন্নয়নে ইউজিসির সঙ্গে ইরাব যৌথভাবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এছাড়া, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় নানাবিদ অনিয়ম বন্ধে ইউজিসির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় বক্তারা জানান, নিজস্ব ক্ষমতার সীমাবদ্ধতায় কমিশন অনেকটা অসহায়। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব আইনে পরিচালিত হয়। পাশাপাশি তদারকি করে ইউজিসি। পৃথক আইনে পরিচালিত হয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চশিক্ষার এসব প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট আইন বাস্তবায়ন, নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দুর্নীতি বন্ধের জন্য গঠিত হলেও অভিভাবক হিসেবে ইউজিসি নিজস্ব প্রয়োগিক ক্ষমতার অভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না।

এজন্য ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন’ পুনর্গঠন করে ‘উচ্চ শিক্ষা কমিশন’ নামে নতুন প্রতিষ্ঠান করার প্রক্রিয়া চলছে। এটা যেই নামেই হোক তবে কমিশনের নির্বাহী ক্ষমতা থাকা উচিত।

বক্তারা আরও বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ইউজিসি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেই গুরু দায়িত্ব শেষ করে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তারা সুপারিশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে। কমিশনের এসব সুপারিশ নিয়ে সভা-সম্মেলন করে বছরের পর বছর পেরিয়ে যায় মন্ত্রণালয়ে।

বিদ্যমান আইনে ইউজিসির দায়িত্ব এক বা একাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত কমিটি দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর ভবন, হল, গ্রন্থাগার, পরীক্ষাগার, যন্ত্রপাতি, সহযোগী প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত পরীক্ষা, শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিদর্শন করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন অনুযায়ী, পদ সৃষ্টি ও নিয়োগ প্রদান করা হয়।

কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয় সর্বপ্রথম ১৯৭৩ সালে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে। ১৯৯৮ সালের সংশোধনী মোতাবেক ১ জন চেয়ারম্যান, ৫ জন পূর্ণকালীন সদস্য এবং ৯ জন খণ্ডকালীন সদস্যের সমন্বয়ে গঠন করা হয় কমিশন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ

ইউজিসিকে উচ্চশিক্ষা কমিশন (এইচইসি) করতে হলে নির্বাহী ক্ষমতা দেয়া প্রয়োজন

আপডেট টাইম : ০১:১১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক, সিটিজেন নিউজ: নিজস্ব প্রয়োগিক ক্ষমতার অভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। ইউজিসিকে পুনর্গঠন করে উচ্চশিক্ষা কমিশন (এইচইসি) করতে হলে নির্বাহী ক্ষমতা দেয়া প্রয়োজন বলে দাবি করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ।

বুধবার ইউজিসির সঙ্গে এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) এর নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সৌজন্য সাক্ষাতে এমন মত ব্যক্ত করেন তিনি। ইউজিসির চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আখতার হোসেন, প্রফেসর ড. এম শাহ্ নওয়াজ আলি, প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, ড. মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন, কমিশনের সচিব ড. মো. খালেদ এবং ইরাবের সভাপতি মুসতাক আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হকসহ কমিটির অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের উচ্চশিক্ষা উন্নয়নে ইউজিসির সঙ্গে ইরাব যৌথভাবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এছাড়া, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় নানাবিদ অনিয়ম বন্ধে ইউজিসির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় বক্তারা জানান, নিজস্ব ক্ষমতার সীমাবদ্ধতায় কমিশন অনেকটা অসহায়। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজস্ব আইনে পরিচালিত হয়। পাশাপাশি তদারকি করে ইউজিসি। পৃথক আইনে পরিচালিত হয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চশিক্ষার এসব প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট আইন বাস্তবায়ন, নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দুর্নীতি বন্ধের জন্য গঠিত হলেও অভিভাবক হিসেবে ইউজিসি নিজস্ব প্রয়োগিক ক্ষমতার অভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না।

এজন্য ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন’ পুনর্গঠন করে ‘উচ্চ শিক্ষা কমিশন’ নামে নতুন প্রতিষ্ঠান করার প্রক্রিয়া চলছে। এটা যেই নামেই হোক তবে কমিশনের নির্বাহী ক্ষমতা থাকা উচিত।

বক্তারা আরও বলেন, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ইউজিসি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেই গুরু দায়িত্ব শেষ করে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তারা সুপারিশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে। কমিশনের এসব সুপারিশ নিয়ে সভা-সম্মেলন করে বছরের পর বছর পেরিয়ে যায় মন্ত্রণালয়ে।

বিদ্যমান আইনে ইউজিসির দায়িত্ব এক বা একাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত কমিটি দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয় ও এর ভবন, হল, গ্রন্থাগার, পরীক্ষাগার, যন্ত্রপাতি, সহযোগী প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত পরীক্ষা, শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিদর্শন করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন অনুযায়ী, পদ সৃষ্টি ও নিয়োগ প্রদান করা হয়।

কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয় সর্বপ্রথম ১৯৭৩ সালে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে। ১৯৯৮ সালের সংশোধনী মোতাবেক ১ জন চেয়ারম্যান, ৫ জন পূর্ণকালীন সদস্য এবং ৯ জন খণ্ডকালীন সদস্যের সমন্বয়ে গঠন করা হয় কমিশন।


প্রিন্ট