রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর ‘এক জেলা এক পণ্য’ কর্মসূচির আওতায় খাগড়াছড়িতে উৎপাদিত পণ্যের রপ্তানি সক্ষমতা উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘খাগড়াছড়ি জেলার উৎপাদিত পণ্যের রপ্তানি সক্ষমতা উন্নয়ন’ শীর্ষক এ সভা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য এবং জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা।
তিনি বলেন, খাগড়াছড়ির প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক বৈচিত্র্য কৃষি ও ফলমূল উৎপাদনে ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন, নিরাপদ উৎপাদন, আধুনিক প্যাকেজিং, যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ নিশ্চিতের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে এসব পণ্যের চাহিদা তৈরি করা সম্ভব।
আবদুল ওয়াদুদ আরও বলেন, রপ্তানি বাড়লে কৃষকের আয়ও বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। এ ক্ষেত্রে খাগড়াছড়ি জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ হাসান আরিফ। তিনি বলেন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ‘এক জেলা এক পণ্য’ কর্মসূচি কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলার সম্ভাবনাময় পণ্য চিহ্নিত করে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, খাগড়াছড়ির আম, আনারস, কমলা, কলা, কফি, কাজুবাদাম, ড্রাগন ফল, পেঁপে, কাঁঠালসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য এবং বাঁশ, বেত ও হস্তশিল্পজাত পণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা রয়েছে। এসব পণ্যের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, গ্রেডিং, আধুনিক প্যাকেজিং, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ, পরিবহন, আন্তর্জাতিক সনদায়ন এবং বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য বৈচিত্র্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ।
মতবিনিময়ে বিশেষ অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনোয়ার সাদাত এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রাহমান। সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক কুমকুম সুলতানা।
এ ছাড়াও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, কৃষক, উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় খাগড়াছড়ির সম্ভাবনাময় পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত পণ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 






















