ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উলিপুরে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বি এন পি নেতার বিরুদ্ধে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন উপদেষ্টা এডভোকেট অপূর্ব বড়ুয়া চৌধুরী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা খাগড়াছড়িতে উৎপাদিত পণ্যের রপ্তানি সক্ষমতা উন্নয়নে মতবিনিময় সভা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক ৩২৯ রানে এগিয়ে বাংলাদেশ খাগড়াছড়িতে উৎপাদিত পণ্যের রপ্তানি সক্ষমতা উন্নয়নে মতবিনিময় সভা ‎সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে সাংস্কৃতিক ক্লাস নিলেন অতিথি শিক্ষক মোহাম্মদ ওয়াহিদুল ইসলাম রাতের আঁধারে সাংবাদিককে কুপিয়ে আহত করেন দুর্বৃত্তরা হাম উপসর্গে আরও সাতজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১২৭৩

নানা কর্মসূচিতে জবিতে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে র‌্যালি, সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে দিনব্যাপী এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক চাপ মোকাবিলা এবং মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় জবি কর্তৃপক্ষ।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। তিনি বলেন, বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের মধ্যেই মানসিক স্বাস্থ্য চর্চাকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; বরং এটি দৈনন্দিন জীবনে প্রতিনিয়ত চর্চার বিষয়। দেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞান বিভাগ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় পর্যায়ে এ বিষয়ে পেশাগত গুরুত্ব ও যথাযথ মূল্যায়নের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এখনই মানসিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব অনুধাবন করে এ খাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার সময় এসেছে।

উপাচার্য বলেন, ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞানের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং এসব দেশে এ বিষয়ে পেশাগত ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগও সমৃদ্ধ। কিন্তু বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির অন্যতম কারণ হিসেবে এ খাতের পেশাগত গুরুত্ব ও কার্যকর সেবাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফাতেমা-তু-জোহরা বিনতে জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম এবং মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুদ্দীন। সেমিনারে কি-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. আশোক কুমার সাহা। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মাদ ও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আকরাম উজ্জামান।

সেমিনারে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে তিনটি শিরোনামে কর্মশালা হয়েছে। এসব কর্মশালায় মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক সুস্থতা রক্ষা এবং মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এর আগে সকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

র‌্যালি শেষে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে স্থাপিত মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন (মেন্টাল হেলথ অ্যাসেসমেন্ট) স্টলগুলো পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের মূল প্রতিপাদ্য— ‘জীবনের অভিজ্ঞতা শুনি : সত্যিকারের কথা, সত্যিকারের পরিবর্তন’। প্রতিপাদ্যটির আলোকে মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা মনোযোগ দিয়ে শোনা, মানসিক সমস্যার বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

উলিপুরে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বি এন পি নেতার বিরুদ্ধে

নানা কর্মসূচিতে জবিতে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন

আপডেট টাইম : ০৬:৫৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে র‌্যালি, সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে দিনব্যাপী এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক চাপ মোকাবিলা এবং মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় জবি কর্তৃপক্ষ।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। তিনি বলেন, বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের মধ্যেই মানসিক স্বাস্থ্য চর্চাকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; বরং এটি দৈনন্দিন জীবনে প্রতিনিয়ত চর্চার বিষয়। দেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞান বিভাগ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় পর্যায়ে এ বিষয়ে পেশাগত গুরুত্ব ও যথাযথ মূল্যায়নের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এখনই মানসিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব অনুধাবন করে এ খাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার সময় এসেছে।

উপাচার্য বলেন, ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞানের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং এসব দেশে এ বিষয়ে পেশাগত ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগও সমৃদ্ধ। কিন্তু বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির অন্যতম কারণ হিসেবে এ খাতের পেশাগত গুরুত্ব ও কার্যকর সেবাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করা প্রয়োজন।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফাতেমা-তু-জোহরা বিনতে জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম এবং মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুদ্দীন। সেমিনারে কি-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. আশোক কুমার সাহা। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মাদ ও অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আকরাম উজ্জামান।

সেমিনারে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে তিনটি শিরোনামে কর্মশালা হয়েছে। এসব কর্মশালায় মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক সুস্থতা রক্ষা এবং মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এর আগে সকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

র‌্যালি শেষে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে স্থাপিত মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন (মেন্টাল হেলথ অ্যাসেসমেন্ট) স্টলগুলো পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের মূল প্রতিপাদ্য— ‘জীবনের অভিজ্ঞতা শুনি : সত্যিকারের কথা, সত্যিকারের পরিবর্তন’। প্রতিপাদ্যটির আলোকে মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা মনোযোগ দিয়ে শোনা, মানসিক সমস্যার বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


প্রিন্ট